স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ৭৬তম মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নামেন ব্রাজিল সুপারস্টার নেইমার। অল্প সময়টুকুতেই নিজের ঝলক দেখিয়েছিলেন নেইমার। এরপর জাপান ম্যাচের আগে আলোচনায় ছিল তার শুরুর একাদশে থাকারও। কিন্তু এদিন মাঠেই নামানো হয়নি নেইমারকে। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুর দিকে নেইমারকে স্ট্রেচিং করতে দেখা গেলেও আর মাঠে নামেননি দলের সেরা তারকা।
এরপর থেকেই ব্রাজিল ভক্তদের মনে প্রশ্ন- কেনো নেইমারকে মাঠে নামানো হলো না? ম্যাচ শেষে ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি নিজেই দিয়েছেন সেই প্রশ্নের উত্তর। মূলত ম্যাচের পরিস্থিতির কারণেই নেইমারকে মাঠে নামাননি আনচেলত্তি। এতে নেইমারের সঙ্গে কথাও বলে নিয়েছিলেন তিনি।
আনচেলত্তি বলেন, ‘নেইমারের সঙ্গে আমার কথা হয়েছিল। আমরা যদি নির্ধারিত সময়ে গোল করতে না পারতাম, তাহলে ৬০ মিনিটেই তাকে নামাতাম। কিন্তু সমতায় ফেরার পর অতিরিক্ত সময়ের সম্ভাবনা মাথায় রেখে তাকে শেষ ৩০ মিনিটের জন্য রেখে দিয়েছিলাম।’
আনচেলত্তির এই বাস্তবতাও দেখা গিয়েছিল ম্যাচ চলাকালীন সময়ে। প্রথমার্ধেই গোল হজম করে বিরতিতে গিয়েছিল ব্রাজিল। বিরতি থেকে ফেরার পর ম্যাচের ৫০তম মিনিটের দিকে স্ট্রেচিং করতে দেখা যায় নেইমারকে। তখনো পিছিয়ে ব্রাজিল। এরপর ৬৫তম মিনিটে ক্যাসেমিরোর গোলে সমতায় ফেরে ব্রাজিল।
জাপানের বিপক্ষে ম্যাচে অতিরিক্ত সময় কিংবা পেনাল্টির সম্ভাবনাও বিবেচনায় ছিল ব্রাজিলের। সেই কারণেই অভিজ্ঞ এই ফরোয়ার্ডকে শেষ দিকে নামানোর পরিকল্পনা করা হয়, যাতে ম্যাচের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তিনি পার্থক্য গড়ে দিতে পারেন।
কিন্তু নির্ধারিত সময়ের যোগ করা সময়ে সব হিসাব বদলে দেন গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লি। দারুণ গোলে ব্রাজিলকে জয় এনে দেন তিনি। এরপর আর কোনো পরিকল্পনা করতে হয়নি আনচেলত্তিকে।