সংবাদ শিরোনাম :
যশলং ইউপি নির্বাচনে বিএনপির চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে সাইদুর রহমান বাবুলকে চান এলাকাবাসী সাংবাদিক লিটন মাহমুদের বাবা চ্যানেল আই  ইমপ্রেস গ্রুপের হেড অব ফাইন্যান্স ওয়ালি মাহমুদ আর নেই। শিলই ইউনিয়নে আইন সহায়তা মানবাধিকার সংস্থার শাখা কার্যালয়ের উদ্বোধন সুনামগঞ্জের নতুনপাড়ায় জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের অফিস উদ্বোধন করেন পৌর প্রশাসক অসীম চন্দ্র বণিক ডেঙ্গু প্রতিরোধে মুন্সীগঞ্জে কাটাখালী খাল পরিষ্কার অভিযান শিক্ষা অনুরাগী ও মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার মফিজুল ইসলামআউটশাহী ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থিতা ঘোষণা জনপ্রিয়তার অপর নাম আছমা আক্তার ,শিক্ষা রাস্তাঘাট উন্নয়ন ও মাদকবিরোধী কর্মকাণ্ডে জনসম্পৃক্ত সাবেক প্যানেল মেয়র মুন্সীগঞ্জে ডিবির অভিযানে ৭০০ পিস ইয়াবাসহ ৩ জন গ্রেপ্তার ডুলাহাজারায় সংরক্ষিত বনভূমি দখলের মহোৎসব, উচ্ছেদের পরেই আবার দখল মুন্সীগঞ্জে পুলিশের ২৪ ঘণ্টার অভিযানে মাদকসহ গ্রেপ্তার ২৭
অপহরণ মামলার মূল পরিকল্পনাকারীসহ আরও দুই আসামি গ্রেপ্তার

অপহরণ মামলার মূল পরিকল্পনাকারীসহ আরও দুই আসামি গ্রেপ্তার

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি:

আলোচিত অপহরণ ও মুক্তিপণ দাবির মামলার মূল পরিকল্পনাকারী (মাস্টারমাইন্ড)সহ আরও দুই এজাহারভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে মুন্সীগঞ্জ সদর থানা পুলিশ।

তথ্যপ্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার, ধারাবাহিক তদন্ত এবং আন্তঃথানা সমন্বয়ের মাধ্যমে ঢাকার পল্টন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

 

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মুন্সীগঞ্জের দক্ষিণ ইসলামপুর এলাকার মুনিয়া আক্তার সাফা ওরফে সাফামনি (২০) এবং নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার বাসিন্দা মো. নুর হাছান নাঈম (২৩)। বর্তমানে নাঈম ঢাকার নয়াপল্টন এলাকায় বসবাস করতেন।

 

পুলিশ জানায়, সোমবার (২৯ জুন) রাত ১টা ৩০ মিনিটে পল্টন থানা পুলিশের সহযোগিতায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্তে উঠে এসেছে, মুনিয়া আক্তার সাফাই অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের পুরো ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী।

পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী সহযোগীদের সহায়তায় ভুক্তভোগীকে কৌশলে মুন্সীগঞ্জ থেকে ঢাকায় নিয়ে গিয়ে জিম্মি করা হয় এবং পরিবারের কাছে চার লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।

 

এর আগে একই ঘটনায় গত ২৮ জুন আরও তিনজন এজাহারভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়। সর্বশেষ এই অভিযানের মাধ্যমে মামলার পাঁচজন এজাহারভুক্ত আসামিকেই গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ।

 

এ বিষয়ে মুন্সীগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম পিপিএম বলেন, জেলা পুলিশের দ্রুত পদক্ষেপ, কার্যকর তদন্ত ও পেশাদারিত্বের কারণে অল্প সময়ের মধ্যেই মামলার সকল এজাহারভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে।

 

অপরাধ দমনে মুন্সীগঞ্জ জেলা পুলিশ সর্বদা তৎপর রয়েছে এবং জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও একই নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করে যাবে।

Facebook Comments Box





  1. © স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ দৈনিক নাগরিক বাণী
error: Content is protected !!