মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে জাতীয়তাবাদী দলের ধানের শীষ প্রতীকের মনোনয়ন পেলে জনগণের কল্যাণে এমপি হতে চান জেলা বিএনপি আহবায়ক সদস্য ও বিশিষ্ট শিল্পপতি সিআইপি মোঃ মোশারফ হোসেন পুস্তি।
মোশারফ হোসেন পুস্তি একজন সফল উদ্যোক্তা হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দেশের শিল্প খাত ও রপ্তানীমুখী অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। তার প্রতিষ্ঠিত শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়িক উদ্যোগসমূহে প্রায় ১২-১৩ হাজার কর্মচারী কর্মরত আছেন, যা দেশের কর্মসংস্থান ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে।
মোশারফ হোসেন একজন সমাজসেবক হিসেবেও সুপরিচিত। তিনি রামপাল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ছিলেন এবং ২০১০ সালে জেলার শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান হিসেবে পুরস্কৃত হন।
দলীয় রাজনীতিতে মোশারফ হোসেনের ভূমিকা ব্যাপক। তিনি মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ছিলেন এবং দীর্ঘদিন দলের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত রাজনৈতিক কারণে বারবার হয়রানির শিকার হন তিনি।
মোশারফ হোসেন পুস্তি জানান, ২০১৪ সালে মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে করলেও শেষ পর্যন্ত ভোটের মাঠে টিকে থাকতে দেয়া হয়নি পুস্তিকে।
সে সময় উল্টো বিস্ফোরক আইনে মামলা দায়ের করা হয় তার বিরুদ্ধে। ২০১৮ সালে ডিজিএফআই তাকে আটক করে আয়নাঘরে রেখে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালায় এবং তার কাছ থেকে ১০০ কোটি টাকা আদায় করা হয়। একই বছরে র্যাব তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দিয়ে আরও ১৩ কোটি টাকা আদায় করে।
মোশারফ হোসেন পুস্তি বলেন, ‘আমি সব ধরনের ভয়ভীতি উপেক্ষা করে মুন্সীগঞ্জের মানুষের পাশে ছিলাম, আছি এবং থাকব। আমি বিশ্বাস করি, আমার ত্যাগ ও দলের প্রতি নিষ্ঠা বিবেচনায় দল আমাকে মুন্সীগঞ্জ ৩ আসন থেকে ধানের শীষের মনোনয়ন দিবে। দল মনোনয়ন দিলে আমি আমার প্রাণপ্রিয় এলাকা ও দেশের মানুষের জন্য সর্বোচ্চ অবদান রাখার অঙ্গীকার করছি।’
৩১ দফা কর্মসূচি প্রচারের অংশ হিসেবে ধানের শীষের প্রচারণায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন মনোনয়ন কে পাবেন তা এখনো চুড়ান্ত হয়নি। দল থেকেও কাউকে দেয়া হয়নি সবুজ সংকেত। আসন্ন নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন কে পাচ্ছেন তা নিয়ে নির্বাচনী এলাকার দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে সর্বত্র চলছে একই আলোচনা।