সংবাদ শিরোনাম :
যশলং ইউপি নির্বাচনে বিএনপির চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে সাইদুর রহমান বাবুলকে চান এলাকাবাসী সাংবাদিক লিটন মাহমুদের বাবা চ্যানেল আই  ইমপ্রেস গ্রুপের হেড অব ফাইন্যান্স ওয়ালি মাহমুদ আর নেই। শিলই ইউনিয়নে আইন সহায়তা মানবাধিকার সংস্থার শাখা কার্যালয়ের উদ্বোধন সুনামগঞ্জের নতুনপাড়ায় জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের অফিস উদ্বোধন করেন পৌর প্রশাসক অসীম চন্দ্র বণিক ডেঙ্গু প্রতিরোধে মুন্সীগঞ্জে কাটাখালী খাল পরিষ্কার অভিযান শিক্ষা অনুরাগী ও মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার মফিজুল ইসলামআউটশাহী ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থিতা ঘোষণা জনপ্রিয়তার অপর নাম আছমা আক্তার ,শিক্ষা রাস্তাঘাট উন্নয়ন ও মাদকবিরোধী কর্মকাণ্ডে জনসম্পৃক্ত সাবেক প্যানেল মেয়র মুন্সীগঞ্জে ডিবির অভিযানে ৭০০ পিস ইয়াবাসহ ৩ জন গ্রেপ্তার ডুলাহাজারায় সংরক্ষিত বনভূমি দখলের মহোৎসব, উচ্ছেদের পরেই আবার দখল মুন্সীগঞ্জে পুলিশের ২৪ ঘণ্টার অভিযানে মাদকসহ গ্রেপ্তার ২৭
মুন্সীগঞ্জে নদীভাঙনের আতঙ্কে মিরকাদীমের আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের  ঈদের আনন্দ ম্লান ।

মুন্সীগঞ্জে নদীভাঙনের আতঙ্কে মিরকাদীমের আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের  ঈদের আনন্দ ম্লান ।

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি:

 

ঈদের আনন্দে যখন সারাদেশের মানুষ ব্যস্ত, তখন মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার মিরকাদীমের তিলার্দী চর এলাকার আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দারা দিন কাটাচ্ছেন নদীভাঙনের আতঙ্কে। ইছামতী নদীর শাখা নদীর তীব্র ভাঙনে প্রকল্পের ৭৫টি ঘর হুমকির মুখে পড়েছে। বাসিন্দাদের আশঙ্কা, আর কয়েক মিটার ভাঙলেই তাদের বসতঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে।

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় দুই বছর ধরে আশ্রয়ণ প্রকল্প সংলগ্ন বাঁধে ভাঙন চললেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। জেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডে একাধিকবার আবেদন করেও তারা কোনো প্রতিকার পাননি বলে দাবি করেছেন।

 

জানা যায়, সরকারি খাস জমিতে নির্মিত এই আশ্রয়ণ প্রকল্পে প্রায় চার বছর ধরে অসহায় ও ভূমিহীন পরিবারগুলো বসবাস করছে। তবে প্রকল্পের সুরক্ষায় নির্মিত বাঁধের কাজ অসম্পূর্ণ থাকায় নদীভাঙন দিন দিন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। বর্ষা মৌসুম ঘনিয়ে আসায় আতঙ্ক আরও বেড়েছে।

 

বাসিন্দা আসিফ বলেন, “সবাই যখন ঈদের আনন্দে মশগুল, তখন আমরা নদীভাঙনের ভয়ে দিন কাটাচ্ছি। যেকোনো সময় আমাদের ঘরবাড়ি নদীতে চলে যেতে পারে।”

 

অপর বাসিন্দা আজমল মিয়া বলেন, “ডিসি অফিস ও পানি উন্নয়ন বোর্ডে আবেদন দিয়েছি, কিন্তু কেউ এসে পরিস্থিতি দেখেনি। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে আমরা আবারও বাস্তুহারা হয়ে পড়ব।”

 

এ বিষয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা  মো. মাসুদুর রহমান জানান, বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এসেছে এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে চিঠি দেওয়া হয়েছে। দ্রুত বাঁধ মেরামতের কাজ শুরু হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

স্থানীয়দের দাবি, আশ্রয়ণ প্রকল্প ও নদীতীর রক্ষায় জরুরি ভিত্তিতে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ ও কার্যকর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে শতাধিক মানুষের শেষ আশ্রয়টুকুও নদীগর্ভে হারিয়ে যেতে পারে।

Facebook Comments Box





  1. © স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ দৈনিক নাগরিক বাণী
error: Content is protected !!