ইসলামী আন্দোলনের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম বলেন, স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশে কখনোই বিদেশ নির্ভর নীতি দেশের মানুষের পক্ষে ছিল না। বরং শাসকগোষ্ঠী নিজেদের স্বার্থ আদায়ে বিদেশি আগ্রাসনকে প্রশ্রয় দিয়ে গেছে। এখন নতুন করে বাংলাদেশ গঠন করার সময় এসেছে। ভারতসহ কোন বিদেশি আগ্রাসন আমরা আর মেনে নেব না। সকল আগ্রাসন রুখে দিতে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের সকল নেতাকর্মীকে প্রস্তুত থাকতে হবে।
তিনি বলেন, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ-এর নেতাকর্মীদের সাহাবায়ে কেরামের অনুসরণে ব্যক্তি ও সমাজ গঠন করতে সচেষ্ট হতে হবে। রুহানিয়াত এবং জিহাদের সমন্বয়ে নিজেকে গঠন করা ছাড়া আদর্শিক সমাজ বিপ্লব সম্ভব না। আত্মশুদ্ধি নেতৃত্ব ছাড়া কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। তাই ইসলামী অনুশাসন প্রতিষ্ঠা ও কল্যাণ রাষ্ট্র গঠনে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ এর দায়িত্বশীল, সদস্যকে আদর্শিক ও নৈতিকভাবে উন্নত চরিত্রের অধিকারী হিসেবে আত্মগঠন করতে হবে
ছাত্র সংগঠনের সভাপতি ইউসুফ আহমাদ মানসুর এর সভাপতিত্বে সেক্রেটারি জেনারেল শেখ মাহবুবুর রহমান নাহিয়ানের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইসলামী আন্দোলনের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, পরিশুদ্ধ নিয়ত ও আত্মবিশ্বাস এর সাথে ইসলামী অনুশাসন প্রতিষ্ঠায় ছাত্র-জনতাকে কাজ করে যেতে হবে। সর্বত্র জাগরণের লক্ষ্যে ছাত্রদের দেশময় আদর্শিক দাওয়াত নিয়ে ছড়িয়ে পড়তে হবে।
এ সময় ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ-এর ২০২৫ সেশনের জন্য ২৫ জন মজলিসে আমেলা ও ৫০ জন মজলিসে শূরাসহ মোট ৭৫ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়।