মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার সানেবান্দা এলাকায় বিয়ের গাড়ি বহরে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে বাবা ছেলেসহ কমপক্ষে ৪ জন আহত হয়েছে।
শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৪ টার দিকে সানেবান্দা এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলো নেত্রাবতী গ্রামের মামুন সেখ তার ছেলে সোয়াদ , জামান ও কহিনুর। এর মধ্যে জামানকে মেরে রক্তাক্ত জখম করা হয়েছে । কহিনুর এর কপালে আঘাতের ফুলা চিহ্ন রয়েছে।
ভুক্তভোগী পরিবার সুত্রে জানাগেছে, নেত্রবতী গ্রামের মামুন সেখের মেয়ের বিয়ে বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হয়। বিয়ের দিন রাতে মামুন সেখের ভায়রার ছেলে সাইফুল পাশের সুমনের দোকানে চীপ কিনতে যায়। ওই সময় দোকান ছিল সুমনের ছেলে অন্তর। সাইফুল জুতা পায়ে দোকানে ঢোকায় তাকে মারতে তেড়ে আসে অন্তর। পরে এনিয়ে সাইফুল এর খালাতো ভাই সোয়াদ জুতা পায়ে সাইফুলের দোকানে ঢোকায় অন্তরের কাছে ক্ষমা চায়।
ওই ঘটনার জের ধরে শুক্রবার (১০ জানুয়ারী) বিকাল ৪ টার দিকে সোয়াদকে সানেবান্দা পেয়ে অন্তর এর নেতৃত্বে প্রথম দফায় হামলা চালিয়ে মারধর করা হয়। পরে সোয়াদসহ মামুন সেখের পরিবার বিয়ের গাড়ি নিয়ে নিজ মেয়েকে আনতে ঢাকা যাওয়ার পথে সানেবান্দা এলাকায় অন্তরের নেতৃত্বে গাড়ি বহরে হামলা চালায় ২০/২২ জন। এ সময় ওই চারজনকে পিটিয়ে জখম করা হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারটি থানায় এসে গাড়িবহরে হামলার বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করলেও কনে আনতে যাওয়ার ব্যস্ততা থাকায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেনি । পরে অভিযোগ দায়ের করবেন বলে জানান মামুন সেখ।
মামুন সেখ বলেন, বৃহস্পতিবার আমার মেয়ের বিয়ে গেছে। আজ আমার মেয়েকে আনতে ঢাকা যাচ্ছিলাম। চীপ কিনতে জুতা পায়ে দোকানে ঢোকার মতো তুচ্ছ বিষয় নিয়ে আমাকে আমার চেলে সোয়াদ এবং আমার আত্নীয় জামান ও কহিনুরকে মারধর করছে সানেবান্দা গ্রামের অনু সেখের ছেলে আলমগীর, নেত্রবাতী গ্রামের সুমন, সুমনের ছেলে অন্তর, আলমেছ, সাব্বির সর্দার, আকবর, ইভাদসহ ২০/২২জন। আমি মেয়ে আনতে ঢাকায় যাচ্ছি। সময়ের অভাবে অভিযোগ দায়ের করতে পারলাম না পরে এসে অভিযোগ দায়ের করবো।
এ ব্যাপারে টঙ্গীবাড়ী থানার এসআই হায়দার বলেন, এ ঘটনায় কোন লিখিত অভিযোগ পাই নাই। পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।