সংবাদ শিরোনাম :
যশলং ইউপি নির্বাচনে বিএনপির চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে সাইদুর রহমান বাবুলকে চান এলাকাবাসী সাংবাদিক লিটন মাহমুদের বাবা চ্যানেল আই  ইমপ্রেস গ্রুপের হেড অব ফাইন্যান্স ওয়ালি মাহমুদ আর নেই। শিলই ইউনিয়নে আইন সহায়তা মানবাধিকার সংস্থার শাখা কার্যালয়ের উদ্বোধন সুনামগঞ্জের নতুনপাড়ায় জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের অফিস উদ্বোধন করেন পৌর প্রশাসক অসীম চন্দ্র বণিক ডেঙ্গু প্রতিরোধে মুন্সীগঞ্জে কাটাখালী খাল পরিষ্কার অভিযান শিক্ষা অনুরাগী ও মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার মফিজুল ইসলামআউটশাহী ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থিতা ঘোষণা জনপ্রিয়তার অপর নাম আছমা আক্তার ,শিক্ষা রাস্তাঘাট উন্নয়ন ও মাদকবিরোধী কর্মকাণ্ডে জনসম্পৃক্ত সাবেক প্যানেল মেয়র মুন্সীগঞ্জে ডিবির অভিযানে ৭০০ পিস ইয়াবাসহ ৩ জন গ্রেপ্তার ডুলাহাজারায় সংরক্ষিত বনভূমি দখলের মহোৎসব, উচ্ছেদের পরেই আবার দখল মুন্সীগঞ্জে পুলিশের ২৪ ঘণ্টার অভিযানে মাদকসহ গ্রেপ্তার ২৭
টঙ্গীবাড়ীতে প্রবাসী স্বামীর ২০ লাখ টাকা ও স্বর্নালংকার নিয়ে পরকিয়া প্রেমিকের সাথে পালিয়েছে এক গৃহবধু

টঙ্গীবাড়ীতে প্রবাসী স্বামীর ২০ লাখ টাকা ও স্বর্নালংকার নিয়ে পরকিয়া প্রেমিকের সাথে পালিয়েছে এক গৃহবধু

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ীতে প্রবাসী স্বামীর ২০ লাখ টাকা, ২ ভরি স্বর্নালংকার ও ৩ টি এন্ড্রয়েড মোবাইল নিয়ে পরকিয়া প্রেমিকের হাত ধরে সানজানা আক্তার (২০) নামের এক গৃহবধু পালিয়েছে। গত ৭ এপ্রিল ২০২৫ ইং এ ঘটনা ঘটে।

খবর নিয়ে জানা যায়, মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার বজ্রযোগনি ইউনিয়নের রামশিং গ্রামের হারুন মোল্লার মেয়ে সানজানা আক্তার টঙ্গবাড়ির সোনারং টঙ্গবাড়ি ইউনিয়নের নাটেশ্বর গ্রামে তার নানা বাড়ি শাহজাহান শেখ এর বাড়িতেই থাকতেন। পরে একই গ্রামের ছোরহাব শেখ এর ছেলে সোহাগ শেখ (২৫) এর সাথে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। এরপর গত ৩ বছর পূর্বে সোহাগ ইরাক চলে গেলে সানজানা সোহাগ কে বিয়ের জন্য চাপ প্রয়োগ করে। পরে সোহাগ তার বাবা মা কে বিয়ের জন্য চাপ সৃষ্টি করে। সোহাগের বাবা মা প্রথমে রাজি না হলেও ছেলের সুখের কথা চিন্তা করে পরবর্তীতে দুই পরিবারের সম্মতিতে মোবাইলের মাধ্যমে তাদের কাবিন হয়। কাবিন এর পর থেকে সোহাগ তার বাবা মার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে তার অর্জিত সকল টাকা স্ত্রী সানজানা ও শশুর বাড়ির লোকজন এর কাছে পাঠাতেন। এরপর গত পহেলা এপ্রিল ২০২৫ইং হতে সানজানা সোহাগের সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। পরে ১৪ এপ্রিল সোহাগের শাশুড়ী সোহাগের বাবা কে ফোন দিয়ে বলেন সানজানা কে কোথাও খুজে পাওয়া যাচ্ছেনা। এই খবর শুনে সোহাগের বাবা সানজানাদের বাসায় খোজ নিয়ে জানতে পারেন সানজানা অন্য একটি ছেলের সাথে পালিয়ে গেছে। এরপর সোহাগের শাশুড়ী শাহানা বেগম স্বীকার করেন সানজানা রামশিং গ্রামের নিবির নামের এক ছেলের সাথে পালিয়ে গেছে।

এ বিষয়ে সানজানার স্বামী ইরাক প্রবাসী সোহাগ শেখ মোবাইল ফোনে বলেন, সানজানার সাথে আমার ৮ বছরের প্রেমের সম্পর্ক। আমি ইরাক আসার পর থেকেই বিয়ের জন্য সানজানা আমাকে চাপ দিতে থাকে। পরে আমার বাবা মাকে সানজানার বাড়িতে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে যেতে বললে প্রথমে তারা রাজি ছিলেন না।

পরে আমার আত্বীয় স্বজন কে ম্যানেজ করে বাবা মা কে রাজি করাই। এরপর মোবাইলের মাধ্যমে ২০২৩ সালের ১৪ ডিসেম্বর আমাদের কাবিন হয়। কাবিনের পর থেকে আমার স্ত্রীর আমার বাবা মা আত্বীয় স্বজনের সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দিতে বলে। টাকা পয়সা সব তার কাছে পাঠাতে বলে। আমি তার প্রেমে এতটাই আসক্ত ছিলাম আমার উপার্জিত প্রায় ২০ লাখ টাকা সব তার কাছেই পাঠাই। এছাড়াও কাউকে না জানিয়ে ২ ভরি স্বর্নালংকার এবং মোবাইল কিনে দেই। আমার নানা শশুর শাহজাহান শেখ,মামা শশুর শাকিল, খালা শাশুড়ী শম্পা, পাখি,মুক্তা, আমার স্ত্রীর বোন সামান্তা, শাশুড়ী শাহানা বেগম আমার কাছ থেকে বিকাশ,জনতা ব্যাংক,পুবালি ব্যাংক, ইসলামি ব্যাংকের মাধ্যমে আমার থেকে প্রায় ৪-৫ লাখ নিছে। কখনো তাদের কিছু বলি আমার স্ত্রীর কথা চিন্তা করে। এতকিছুর পরেও কাউকে কিছু বলিনি যদি সে তার ভুল বুজতে পেরে আবার চলে আসে কিন্তু তার মন এতো পাষাণ সে আর ফিরলো না। এসময় তিনি আরো বলেন,আমি সানজানার সাথে ৮ বছর ধরে প্রেম করেছি সে আগেও আমাকে ফুসলিয়ে অনেক টাকা নিছে। আমি আমার সব টাকা পয়সা ও স্বর্নালংকার ফেরত চাই।

Facebook Comments Box





  1. © স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ দৈনিক নাগরিক বাণী
error: Content is protected !!