সংবাদ শিরোনাম :
যশলং ইউপি নির্বাচনে বিএনপির চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে সাইদুর রহমান বাবুলকে চান এলাকাবাসী সাংবাদিক লিটন মাহমুদের বাবা চ্যানেল আই  ইমপ্রেস গ্রুপের হেড অব ফাইন্যান্স ওয়ালি মাহমুদ আর নেই। শিলই ইউনিয়নে আইন সহায়তা মানবাধিকার সংস্থার শাখা কার্যালয়ের উদ্বোধন সুনামগঞ্জের নতুনপাড়ায় জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের অফিস উদ্বোধন করেন পৌর প্রশাসক অসীম চন্দ্র বণিক ডেঙ্গু প্রতিরোধে মুন্সীগঞ্জে কাটাখালী খাল পরিষ্কার অভিযান শিক্ষা অনুরাগী ও মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার মফিজুল ইসলামআউটশাহী ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থিতা ঘোষণা জনপ্রিয়তার অপর নাম আছমা আক্তার ,শিক্ষা রাস্তাঘাট উন্নয়ন ও মাদকবিরোধী কর্মকাণ্ডে জনসম্পৃক্ত সাবেক প্যানেল মেয়র মুন্সীগঞ্জে ডিবির অভিযানে ৭০০ পিস ইয়াবাসহ ৩ জন গ্রেপ্তার ডুলাহাজারায় সংরক্ষিত বনভূমি দখলের মহোৎসব, উচ্ছেদের পরেই আবার দখল মুন্সীগঞ্জে পুলিশের ২৪ ঘণ্টার অভিযানে মাদকসহ গ্রেপ্তার ২৭
মুন্সীগঞ্জে সেরেস্তা সহকারীর মিথ্যা ওয়ারেন্ট ইস্যুতে যুবকের কারাবাস

মুন্সীগঞ্জে সেরেস্তা সহকারীর মিথ্যা ওয়ারেন্ট ইস্যুতে যুবকের কারাবাস

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি 

মুন্সীগঞ্জ যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতের সেরেস্তা সহকারী হাফিজুর রহমানের ওয়ারেন্ট ইস্যুতে এক যুবককে কারাগারে যেতে হয়েছে।

চেক ডিজঅনার মামলায় আদালতের নির্দেশে টাকা জমা দেয়ার দুইদিন পর এই সেরেস্তা সহকারি ওয়ারেন্ট ইস্যু করেন। এরপর ভুক্তভোগী যুবক ইমরান হোসেনকে (৩৫) থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করেন। গ্রেপ্তারের পর ওই যুবককে কারাগারে পাঠানো হয়। পরে আদালতের নকল,সরকারি কোষাগারে টাকা জমা দেয়ার কাগজপত্র নিয়ে গেলে সেরেস্তা সগকারী মো. হাফিজুর রহমান রোববার (৯ নভেম্বর) কারাগারে ছুটে যান এবং ইমরান হোসেনকে কারামুক্ত করেন। ভুক্তভোগী ইমরান হোসেন মুন্সীগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান উপজেলার মধ্য কয়রাখোলা গ্রামের মো. ইদ্রিস মিয়ার ছেলে।

ইমরানের ছোট ভাই সাইদুল ইসলাম জানান, আদালতের নির্দেশে ব্যাংকে সাড়ে ৭ লাখ টাকা জমা দেয়ার পর জামিন লাভ এবং একই ঘটনায় দুইদিন পর প্রতিপক্ষের কাছ থেকে টাকার বিনিময়ে সেরেস্তা সহকারি হাফিজুর রহমান আমার ভাইয়ের বিরুদ্ধে মিথ্যা ওয়ারেন্ট জারি করেন। এই সেরেস্তা সহকারীর কারণে আমার ভাইকে তিনদিন জেলে থাকেন।

মামলা ও আদালতের আদেশনামায় জানা যায়, সিরাজদিখান উপজেলার কয়রাখোলা গ্রামের মৃত মহসিনের ছেলে মো. জামাল হোসেন ইমরানকে আসামি করে ২০২২ সালের ১১ আগস্ট 

যুগ্ম দায়রা জজ দ্বিতীয় আদালতে ১৫ লাখ টাকার একটি চেক জালিয়াতির মামলা করেন। সেশন মামলা নম্বর ৫৪৩/২০২২। 

মামলার আদেশ নামা থেকে জানা যায়, গত ১২ অক্টোবর ইমরান আদালতে হাজিরা দিতে গেলে জামিন না মঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালতের বিচারক মো. মাসুদ-উর-রহমান। পরদিন ১৩ অক্টোবর চেকের অর্ধেক সাড়ে ৭ লাখ টাকা (চালান নম্বর-১২৫) মুন্সীগঞ্জ সোনালী ব্যাংক শাখায় জমা দেয়ার পর ওইদিনই ইমরান হোসেনের জামিন মঞ্জুর করেন আদালত।

ইমরানের ছোট ভাই সাইদুল ইসলাম জানান, টাকা দেয়ার পর আমার ভাইয়ের জামিন হলো-যা মামলার আদেশনামায়ও বলা আছে। এর দুইদিন পর ১৫ অক্টোবর সেরেস্তা সহকারী মো. হাফিজুর রহমান কিভাবে আমার ভাইয়ের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে তা থানায় পাঠান। যার স্মারক নম্বর ২০৯৮। 

এই ওয়ারেন্ট জারিতে গত বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) মধ্যরাত সাড়ে ১২ টার দিকে সিরাজদিখান থানার পুলিশ আমার ভাইকে বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায় এবং কারাগারে প্রেরণ করেন। এরপর রোববার অফিস খুললে আদালতের আদেশনামা, 

ব্যাংকের চালান কপি নিয়ে সেরেস্তা সহকারী হাফিজুর রহমানের কাছে গেলে তিনি এই কাগজপত্র নিয়ে মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে গিয়ে আমার ভাইকে মুক্ত করেন।

তিনি আরও বলেন, আমাদের প্রতিপক্ষের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে সেরেস্তা সহকারী এই ওয়ারেন্ট ইস্যু করেছেন। আমাদের হয়রানি এবং আমার ভাইকে তিনদিন জেলখাটানোর বিচার চাই।

এ ব্যাপারে সেরেস্তা সহকারী মো. হাফিজুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে এ সম্পর্কে কোন কথা বলতে চাননি এবং আগামীকাল তার স্যারের সাথে কথা বলে জানাবেন বলেন এবং মোবাইল ফোনের কল কেটে দেন।

ছবি : ভুক্তভোগী ইমরান হোসেন

Facebook Comments Box





  1. © স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ দৈনিক নাগরিক বাণী
error: Content is protected !!