উত্তম চক্রবর্তী,মণিরামপুর(যশোর)ঃ
ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে খুশি। ছোট বড় সবাই নিজেকে নতুন সাজে সাজাতে পছন্দ করলেও এগিয়ে রয়েছে তরুণীরা। তাই প্রথম থেকে ঈদ বাজারে কেনাকাটায় ব্যস্ত সময় পার করছে মেয়েরা। যার ফলে জমে উঠেছে রাজগঞ্জে বিপণী বিতান গুলোতে। বেশ কিছু দিন ধরে রাজগঞ্জের গার্মেন্টস মার্কেট গুলোতে তরুণীদের ভিড় সহজেই লক্ষণীয়। তাঁরা রমজানের শুরুতে থান কাপড়ের দোকান ও দর্জির দোকানে দোকানে ভিড় করে চলেছে। পিছিয়ে নেই ছেলেরাও। পাঞ্জাবি পাজামা শার্ট প্যান্ট ফতোয়া তৈরী করতে দর্জির দোকানে ভীড় করছে ছেলেরা। ফলে পিচ কাপড়ের দামও হাকিয়ে নিচ্ছে ব্যবসায়ীরা এ বিষয়ে এক ক্রেতা বলেন- মেজেন্ট কালার এর একটি গজ কাপড় কিনলাম। পছন্দের কাপড় গুলো একটু দাম বেশি। বেশিরভাগ দোকানেই চুমকি ও জরির কারো কাজ করা কাপড় তোলা হয়েছে ঈদ উপলক্ষে। দর্জি দোকানে আসা আরো এক ক্রেতা বলেন- কাপড় অনুযায়ী জামা বানানা বানানোর মজুরি ও নিচে দর্জিরা। এক সেট জামা পানা তে মজুরি লাগছে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা বেশিরভাগ দর্জির দোকানে অর্ডার নেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। টেইলার্সের মালিকরা জানান-
এবার রোজার আগে থেকেই সব জামাকাপড় বানানোর জন্য অর্ডার দিয়েছে। হাতে অনেক কাজ জামা পড়ে গেছে। ঈদ উপলক্ষে দোকান গুলোতে বিভিন্ন সিটের কাপড় তোলা হয়েছে।
এছাড়া অন্য কাপড় থ্রি পিস বানাতে মানসম্মত কাপড়ের মধ্যে সর্বনিম্ন ৪০০ টাকা থেকে ২০০ টাকায় বানানো যাবে থ্রি পিস। এছাড়া গার্মেন্টস এর দোকানগুলোতে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সবকিছু মিলিয়ে জমে উঠেছে রাজগঞ্জ ঈদের বাজার।