বিশেষ প্রতিবেদক:
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে সম্প্রতি থাইল্যান্ডের রণতরী ও যৌনকর্মী সংক্রান্ত একটি তথ্য বেশ আলোচিত হচ্ছে, যা মূলত একটি বড় ধরনের ভুল ধারণা।
প্রকৃতপক্ষে থাইল্যান্ডের নিজস্ব কোনো রণতরীতে এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি; পুরো বিষয়টি মার্কিন নৌবাহিনীর একটি বিশাল যুদ্ধজাহাজ ও এর সেনাসদস্যদের থাইল্যান্ডে অবস্থান নেওয়াকে কেন্দ্র করে।
ঘটনার পেছনের আসল সত্য:
দীর্ঘদিন সমুদ্রে একটানা দায়িত্ব পালনের পর মার্কিন নৌবাহিনীর অন্যতম বৃহৎ বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’ (USS Abraham Lincoln) প্রায় ৫ হাজার নাবিক ও সেনাসদস্য নিয়ে থাইল্যান্ডের জনপ্রিয় পর্যটন শহর পাতায়ার উপকূলে এসে নোঙর করেছে।
কেন এই কড়াকড়ি?
থাইল্যান্ডের পাতায়া শহরটি তার নৈশজীবন (Nightlife) এবং রেড-লাইট এলাকার জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। একসাথে প্রায় ৫ হাজার মার্কিন সেনা ও নাবিক শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে নামায় সেখানে অনৈতিক কার্যক্রম ও অবৈধ যৌন ব্যবসার বিস্তার ঘটার আশঙ্কা তৈরি হয়। এই পরিস্থিতি কঠোর হাতে নিয়ন্ত্রণ করতে এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিবেশ এড়াতে থাই প্রশাসন ও স্থানীয় পুলিশ পাতায়া জুড়ে ব্যাপক অভিযান শুরু করেছে।
মূলত মার্কিন রণতরীর হাজার হাজার সেনার থাইল্যান্ডে সাময়িক অবতরণ এবং পাতায়া প্রশাসনের এই কঠোর নজরদারির খবরটিকেই বিভিন্ন মাধ্যমে ভিন্নভাবে ছড়ানো হচ্ছে।
সৌজন্যে: দৈনিক নাগরিক বাণী