সংবাদ শিরোনাম :
টঙ্গিবাড়ীতে অবৈধ ড্রেজার পাইপলাইন ধ্বংস, ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান কামারখাড়াকে মডেল ইউনিয়ন করতে চান চেয়ারম্যান প্রার্থী নজরুল মোল্লা ডিসিএ আইকনিক অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছেন রেনেসাঁ ডায়াগনস্টিক কেয়ারের স্বত্বাধিকারী ও নারী উদ্যোক্তা জেসমিন জুলিয়া এসএসসি-৯৬ ব্যাচের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে আগুন, ফায়ার সার্ভিসের তৎপরতায় রক্ষা বেতকায় চেয়ারম্যান প্রার্থী মহসিন খান বাবু নির্বাচনী প্রচারণা ব্যস্ত সময় পার করছেন  সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, মুন্সীগঞ্জের আনন্দঘন নৌভ্রমণ জিসপের উদ্যোগে স্বাধীনতা বিরোধী ও স্বৈরাচার প্রতিরোধ শীর্ষক আলোচনা সভা মুন্সীগঞ্জ সাইবার দলের সভাপতি শামীম হাওলাদার, সম্পাদক রুবেল হালদার মুন্সীগঞ্জে এ কে এম ট্রেডিংয়ের সার ডিলারের শুভ উদ্বোধন
নিয়ম বহির্ভূতভাবে মেঘনা নদীতে  বালু উত্তোলনে বাঁধা দেওয়ায় এলাকাবাসীকে উদ্দেশ্য করে গুলিবর্ষণ করেছে সন্ত্রাসীরা. আহত-১.

নিয়ম বহির্ভূতভাবে মেঘনা নদীতে  বালু উত্তোলনে বাঁধা দেওয়ায় এলাকাবাসীকে উদ্দেশ্য করে গুলিবর্ষণ করেছে সন্ত্রাসীরা. আহত-১.

গজারিয়া (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি.

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় নিয়ম বহির্ভূতভাবে নদীর পাড় ঘেঁষে বালু উত্তোলন করার সময় বাঁধা দেওয়ায় এলাকাবাসীকে উদ্দেশ্য করে দুই দফায় প্রায় অর্ধশত রাউন্ড গুলিবর্ষণ করেছে সন্ত্রাসীরা।

এই ঘটনায় নৌকা থেকে ঝাঁপ দিয়ে আহত হয়েছে একজন। একটি ড্রেজার আটক করেছে এলাকাবাসী। বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা পৌণে এগারোটার দিকে উপজেলার ষোনআনী বিদ্যুৎ কেন্দ্র সংলগ্ন মেঘনা নদীর পাড়ে এই ঘটনা ঘটে।

আহত পলাশ (৩৫)। সে গজারিয়া উপজেলার ইমামপুর ইউনিয়নের ষোলআনী গ্রামের শাহ আলমের ছেলে বলে জানা গেছে।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী আহত পলাশ বলেন, ইমামপুর ইউনিয়নের ষোলআনী গ্রাম সংলগ্ন মেঘনা নদীতে একটি বৈধ বালুমহাল থাকলেও সন্ধ্যা হলেই তারা ড্রেজার নিয়ে নদীর তীরে চলে আসে। নিয়ম বহির্ভূতভাবে বালু উত্তোলনের কারণে শতাধিক বিঘা জমি ইতোমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল পৌণে বারোটার দিকে কয়েকটি ড্রেজার নিয়ে ষোলআনী বিদ্যুৎ কেন্দ্র সংলগ্ন মেঘনা নদীর তীর ঘেঁষে বালু উত্তোলন করছিল তারা। এসময় একটি ইঞ্জিন চালিত ট্রলার নিয়ে এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী মান্নান, লালু, সৈকত, বাবু, আমজাদ, আলী আকবর, বিল্লাল, সানজিদ, বাকি বিল্লাহ সহ কয়েকজন মহড়া দিচ্ছিলো। এসময় স্থানীয় লোকজন তাদের বাধা দিতে গেলে তারা এলাকাবাসীকে উদ্দেশ্য করে গুলিবর্ষণ করতে থাকে। এ সময় তারা প্রায় ১৭ রাউন্ড গুলিবর্ষণ করে। গুলি থেকে বাঁচতে আমি নৌকা থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আহত হই। পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজন সন্ত্রাসীদের অবরুদ্ধ ফেললে সন্ত্রাসীদের আরেকটি দল ট্রলার নিয়ে এসে এলাকাবাসীকে উদ্দেশ্য করে ৩০-৩৫ রাউন্ড গুলিবর্ষণ করে অবরুদ্ধ সন্ত্রাসীদের উদ্ধার করে নিয়ে যায়। এ সময় উত্তেজিত জনতা ‘ আনাস বিন জুবায়ের ড্রেজিং প্রকল্পে’ নামে একটি ড্রেজার আটক করে।

 

আরেক প্রত্যক্ষদর্শী কাউসার হোসেন বলেন,’ প্রথম দফা গুলিবর্ষণের পর স্থানীয় মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে এলাকাবাসীকে নদীর পাড়ে জড়ো করা হয়। স্থানীয় লোকজন সন্ত্রাসীদের একটি ড্রেজারের অবরুদ্ধ করে রাখে। এ সময় ঘটনাস্থলে পুলিশ আসলেও তাদের সেরকম তৎপরতা লক্ষ্য করা যায়নি। এ ঘটনার কিছুক্ষণ পরে ইঞ্জিন চালিত আরেকটি ট্রলারে একদল সন্ত্রাসী এসে ফিল্মি স্টাইলে গুলি করতে করতে অবরুদ্ধ সন্ত্রাসীদের ছাড়িয়ে নিয়ে যায়’।

 

আরেক প্রত্যক্ষদর্শী মোহাম্মদ উদ্দীন বলেন, ‘ দীর্ঘদিন ধরে নদীর এ এলাকায় সশস্ত্র মহড়া দিচ্ছে সন্ত্রাসীরা। আজকে ফিল্মি স্টাইলে এলাকাবাসীকে উদ্দেশ্য করে প্রায় অর্ধশত রাউন্ড গুলিবর্ষণ করে তারা। আমি যত দ্রুত সম্ভব অস্ত্রধারীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছি’।

 

বিষয়টি সম্পর্কে গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আনোয়ার আলম আজাদ বলেন,’এলাকাবাসীকে উদ্দেশ্য করে গুলিবর্ষণ করার ঘটনার সত্যতা পেয়েছি আমরা। বেশ কয়েকজন আমাকে বিষয়টি জানিয়েছে।

বিষয়টি আমি নৌ পুলিশকে জানিয়েছি। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারে চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ’।

বিষয়টি সম্পর্কে তার বক্তব্য জানতে গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আশরাফুল আলমের মুঠোফোনে একাধিক বার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেনি।

বিষয়টি সম্পর্কে নৌ পুলিশ নারায়ণগঞ্জ অঞ্চলের পুলিশ সুপার আলমগীর হোসেন বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই আপনারা প্রথম আমাকে জানালেন। আমি খোঁজখবর নিয়ে দেখছি’।#####

 

 

Facebook Comments Box





  1. © স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ দৈনিক নাগরিক বাণী
error: Content is protected !!