সংবাদ শিরোনাম :
মুন্সীগঞ্জে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে টঙ্গীবাড়ীতে স্বজনপ্রীতি করে আশ্রয়ণের ঘর বরাদ্দের অভিযোগ। মুন্সীগঞ্জ জেলা যুবদলের কমিটিতে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদ পেলেন মহাসিন খাঁন বাবু মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে শামীম ওসমান ভূঁইয়াকে দেখতে চান স্থানীয়রা টঙ্গিবাড়ীতে অবৈধ ড্রেজার পাইপলাইন ধ্বংস, ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান কামারখাড়াকে মডেল ইউনিয়ন করতে চান চেয়ারম্যান প্রার্থী নজরুল মোল্লা ডিসিএ আইকনিক অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছেন রেনেসাঁ ডায়াগনস্টিক কেয়ারের স্বত্বাধিকারী ও নারী উদ্যোক্তা জেসমিন জুলিয়া এসএসসি-৯৬ ব্যাচের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে আগুন, ফায়ার সার্ভিসের তৎপরতায় রক্ষা বেতকায় চেয়ারম্যান প্রার্থী মহসিন খান বাবু নির্বাচনী প্রচারণা ব্যস্ত সময় পার করছেন 
গজারিয়ায় ১৯৭১সালে ৯ মে গণহত্যায় শহীদদের স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

গজারিয়ায় ১৯৭১সালে ৯ মে গণহত্যায় শহীদদের স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

প্রতিনিধি গজারিয়া (মুন্সীগঞ্জ) 

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় ৯মে উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের মেঘনা নদী এলাকায় গোসাইরচর, নয়নগর, বালুরচর, বাঁশগাঁও জেলেপাড়া, ফুলদী, নাগের চর, কলসেরকান্দি, দড়িকান্দি ও গজারিয়া গ্রামসহ ৮/১০ টি গ্রামের প্রায় ৩’শ ৬০ জন নিরপরাধ মানুষকে নির্বিচারে হত্যা করে। 

স্বাধীনতার যুদ্ধে ১৯৭১ সালের গনহত্যায় শহিদ পরিবারের জন্য শনিবার( ৯মে) দুপুর ১২টায় উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে গজারিয়া ইউনিয়ন শহীদ পরিবার কল্যাণ পরিষদ এর উদ্যোগে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল ও ১৬০ টি পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী এবং কাপড় বিতরণ করেন । 

 

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন, মুন্সীগঞ্জ -৩ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন। 

 

 অনুষ্টান উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রেনেসাঁ ইন্টান্যাশনাল ফাউন্ডেশন, চেয়ারম্যান ড.মো.আতাউর রহমান। 

গজারিয়া ইউনিয়ন শহীদ পরিবার কল্যাণ পরিষদের, সভাপতি মো.বিল্লাল হোসেন আখন্দের সভাপতিত্বে 

বিশেষ অতিথি ছিলেন, গজারিয়া উপজেলার নির্বাহী অফিসার মোঃ মাহমুদুল হাসান, গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ( ওসি) হাসান আলী, বিশিষ্ট শিল্পপতি ও সমাজ সেবক ইকবাল হোসেন সহ মুক্তিযোদ্ধা 

 বৃন্দ ও মুক্তিযোদ্দার সন্তান এবং পরিবার বর্গসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ। 

স্মৃতিচারণ করেন বলেন, উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের গোসাইরচর গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা সন্তান পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া আমান উল্লাহ , ঐদিন সকাল বেলা পাক হানাদার বাহিনীর আমার সামনে আমার বাবা সহ ৪জনকে নির্মমভাবে হত্যা করে। গুলি করার পর তারা ৪থেকে ৫ ফুট ওপরে উঠে যায় এবং ছটফট করতে থাকে।আমি স্বচক্ষে দেখেছি মৃত্যু যন্ত্রণা কি।

 

প্রধান অতিথি বক্তব্যে বলেন, আমি মনে করি ঐদিন ৩শত ৬০জন মানুষকে হত্যা করেছে,মানি ঐদিন ছিল গজারিয়ায় এক কারবালার ময়দান।আমি সহ শিল্পপতি ও প্রশাসনের যারা দায়িত্বে আছি আমরা সবাই যার যার অবস্থান থেকে আমরা সহযোগিতা করার চেষ্টা করব।

 

 

Facebook Comments Box





  1. © স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ দৈনিক নাগরিক বাণী
error: Content is protected !!