সংবাদ শিরোনাম :
মুন্সীগঞ্জে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে টঙ্গীবাড়ীতে স্বজনপ্রীতি করে আশ্রয়ণের ঘর বরাদ্দের অভিযোগ। মুন্সীগঞ্জ জেলা যুবদলের কমিটিতে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদ পেলেন মহাসিন খাঁন বাবু মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে শামীম ওসমান ভূঁইয়াকে দেখতে চান স্থানীয়রা টঙ্গিবাড়ীতে অবৈধ ড্রেজার পাইপলাইন ধ্বংস, ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান কামারখাড়াকে মডেল ইউনিয়ন করতে চান চেয়ারম্যান প্রার্থী নজরুল মোল্লা ডিসিএ আইকনিক অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছেন রেনেসাঁ ডায়াগনস্টিক কেয়ারের স্বত্বাধিকারী ও নারী উদ্যোক্তা জেসমিন জুলিয়া এসএসসি-৯৬ ব্যাচের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে আগুন, ফায়ার সার্ভিসের তৎপরতায় রক্ষা বেতকায় চেয়ারম্যান প্রার্থী মহসিন খান বাবু নির্বাচনী প্রচারণা ব্যস্ত সময় পার করছেন 
কালের বিবর্তনে শীতের পিঠা এখন ফুটপাতে রাস্তার পাশে খাওয়ার হিড়িক । 

কালের বিবর্তনে শীতের পিঠা এখন ফুটপাতে রাস্তার পাশে খাওয়ার হিড়িক । 

 গজারিয়া ( মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি 

 

শীতের সকাল বিকাল মায়ের হাতে বানানো হরেক রকমের পিঠা খাওয়ার স্বাধ ও নানা ধরনের আয়োজন ছিলো প্রায় বাড়িতে । কালের বিবর্তনে এগুলো হারিয়ে গেছে । বর্তমানে সেই আগেগার মতো পরিবেশ নেই যার জন্য বাড়ি বাড়ি পিঠা বানানো ও খাওয়ার আয়োজন নেই ।

চলছে মাঘ মাস শীতকাল। শীতের সকাল বিকাল হরেক রকমের পিঠা খাওয়ার দৃশ্য চোখে পড়ে বিভিন্ন এলাকার রাস্তার পাশে ও বিভিন্ন ফুটপাতে । শীতের সন্ধ্যায় ভাপা পিঠা, চিতই পিঠাসহ বিভিন্ন রকমের পিঠা গজারিয়া উপজেলার সকল এলাকায় রাস্তার মোড়ে ফুটপাতে সকল শ্রেণির পেষার মানুষকে পিঠা খাইতে দেখা যায় । গত দশ বছর যাবত পিঠা বিক্রি করে সংসার চালিয়ে ছেলেমেয়েদের লেখা পড়া করে মানুষ করতেছেন ষাটোর্ধ ছখিনা বেগম । ভাটের চর এলাকায় পিঠা বিক্রেতা রোজী বেগম জানান শীত আসলে আমি পিঠা বিক্রি করে আমার সংসার চালাই ।

জামালদি বাসস্ট্যান্ডে একাধিক স্হানে এধরণের পিঠার দোকান থেকে বিভিন্ন পেষার মানুষকে পিঠা খাইতে দেখা যায়। কথা হয় বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন নবী মিয়ার সাথে। চাকরির সুবাদে গজারিয়ায় থাকেন স্ত্রী সন্তান নিয়ে মাঝে মধ্যে পিঠা খাওয়া ও বাসার জন্য এখান থেকে কিনে নিয়ে যায় ।

তিনি আর-ও বলেন এখন আর আগেরকার মতো বাসায় পিঠা বানানোর পরিবেশ নেই বললেই চলে যার জন্য বেশির ভাগ সময়ে দোকান থেকে পিঠা কিনে বাসায় গিয়ে সবাই মিলে খাই । পিঠা বিক্রেতা কবির হোসেন বলেন আমি ১৫ -২০ বছর যাবৎ শীত আসলে ভাবা পিঠা ও চিতই পিঠা বিক্রি করি। দুই তিন মাস খুব ভালো চলে। তিনি আরও বলেন সকাল থেকে বিকালে বেশি চলে ।

 

বিকাল চারটায় শুরু করি রাত দশটা পর্যন্ত লোকজন দাড়িয়ে থাকে পিঠার জন্য কিছু লোক এখানে দাঁড়িয়ে মনের স্বাচ্ছন্দ্যে খেয়ে তৃপ্তি নিয়ে বাসায় যায় আবার কেউ কেউ বাসার জন্য কিনে নিয়ে যায় । পোষ পার্বনের পিঠা নিয়ে সাধারন মানুষের অভিমত আগেরকার মতো গ্রাম বাংলার মা চাচিদের হাতে বানানো পিঠা খাওয়ার আয়োজন আর হবে না । কালের বিবর্তনে এগুলো হারিয়ে গেছে ।

 

এ-যুগে ফুটপাতে চলছে পিঠা বিক্রি এখান থেকেই আমাদের কিনে বাসায় গিয়ে পিঠা খাওয়ার উৎসব পালন ও উপভোগ করতে হবে । 

 

 

Facebook Comments Box





  1. © স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ দৈনিক নাগরিক বাণী
error: Content is protected !!