সংবাদ শিরোনাম :
টঙ্গিবাড়ীতে অবৈধ ড্রেজার পাইপলাইন ধ্বংস, ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান কামারখাড়াকে মডেল ইউনিয়ন করতে চান চেয়ারম্যান প্রার্থী নজরুল মোল্লা ডিসিএ আইকনিক অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছেন রেনেসাঁ ডায়াগনস্টিক কেয়ারের স্বত্বাধিকারী ও নারী উদ্যোক্তা জেসমিন জুলিয়া এসএসসি-৯৬ ব্যাচের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে আগুন, ফায়ার সার্ভিসের তৎপরতায় রক্ষা বেতকায় চেয়ারম্যান প্রার্থী মহসিন খান বাবু নির্বাচনী প্রচারণা ব্যস্ত সময় পার করছেন  সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, মুন্সীগঞ্জের আনন্দঘন নৌভ্রমণ জিসপের উদ্যোগে স্বাধীনতা বিরোধী ও স্বৈরাচার প্রতিরোধ শীর্ষক আলোচনা সভা মুন্সীগঞ্জ সাইবার দলের সভাপতি শামীম হাওলাদার, সম্পাদক রুবেল হালদার মুন্সীগঞ্জে এ কে এম ট্রেডিংয়ের সার ডিলারের শুভ উদ্বোধন
এককভাবে অংশ নেওয়ার ঘোষণা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

এককভাবে অংশ নেওয়ার ঘোষণা ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।

জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন নির্বাচনী জোটে যোগ না দিয়ে শেষ পর্যন্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৬৮ আসনে এককভাবে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। দলটির অভিযোগ, জোটের ভেতরে তারা ‘ইনসাফের দিক থেকে বঞ্চিত’ হয়েছে এবং ইসলামী রাজনীতির মূল আদর্শ থেকেও বিচ্যুতি ঘটেছে।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে পুরানা পল্টনের নোয়াখালী টাওয়ারে অবস্থিত ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান দলের মুখপাত্র গাজী আতাউর রহমান। তিনি বলেন, দলের আমির সৈয়দ রেজাউল করিম (চরমোনাই পীর)–এর নির্দেশেই এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে গাজী আতাউর রহমান জানান, সারা দেশের ২৭০টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ২৬৮টি আসনে মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে। এসব আসনেই দলটি নিজস্ব প্রার্থী দিয়ে নির্বাচনে অংশ নেবে।

তিনি বলেন, আমরা চাই ইসলামপন্থি শক্তির সব ভোট এক বাক্সে পড়ুক। সে লক্ষ্যেই ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এককভাবে নির্বাচনে যাচ্ছে।

জোট ছাড়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ইসলামী আন্দোলনের মুখপাত্র বলেন, জামায়াতে ইসলামের আমির তাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়াই বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সমঝোতার কথা বলেছেন। এতে ইসলামী আন্দোলনের মধ্যে শঙ্কা ও সন্দেহ তৈরি হয়—নির্বাচন প্রক্রিয়া পাঁতানো হতে পারে কি না।

তিনি আরও বলেন, এই অবস্থায় জোটে থেকে আদর্শিক অবস্থান ধরে রাখা সম্ভব নয় বলেই তারা এককভাবে নির্বাচনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। মনোনয়নপত্র যাচাই শেষে বর্তমানে নির্বাচন কমিশন আপিল নিষ্পত্তির প্রক্রিয়ায় রয়েছে। আগামী ২০ জানুয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে।

নির্বাচন সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বে গঠিত ‘১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য’–এর সূচনা হয়েছিল ধর্মভিত্তিক আট দলের যুগপৎ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে। পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন এবং সংসদ নির্বাচনের আগে গণভোটের দাবিতে ওই আন্দোলন শুরু হয়।

এই জোটে শুরুতে অন্তর্ভুক্ত ছিল জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, জাগপা, নেজামে ইসলাম পার্টি এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি)।

পরবর্তীতে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), এলডিপি ও এবি পার্টি জোটে যোগ দিলেও এনসিপিকে অন্তর্ভুক্ত করা নিয়ে ইসলামী আন্দোলনসহ কয়েকটি দলের আপত্তি দেখা দেয়। এর ফলে জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনের দূরত্ব বাড়তে থাকে।

গত দুই সপ্তাহ ধরে আসন বণ্টন নিয়ে জামায়াতের সঙ্গে কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। দলটির দাবি ছিল দেড় শতাধিক আসন, কিন্তু প্রত্যাশিত সংখ্যক আসন না পাওয়ায় তারা বৃহস্পতিবার ১১ দলীয় জোটের বৈঠকে অংশ নেয়নি।

সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে শেষ পর্যন্ত চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এককভাবে নির্বাচনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

Facebook Comments Box





  1. © স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ দৈনিক নাগরিক বাণী
error: Content is protected !!