সংবাদ শিরোনাম :
মুন্সীগঞ্জে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে টঙ্গীবাড়ীতে স্বজনপ্রীতি করে আশ্রয়ণের ঘর বরাদ্দের অভিযোগ। মুন্সীগঞ্জ জেলা যুবদলের কমিটিতে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদ পেলেন মহাসিন খাঁন বাবু মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে শামীম ওসমান ভূঁইয়াকে দেখতে চান স্থানীয়রা টঙ্গিবাড়ীতে অবৈধ ড্রেজার পাইপলাইন ধ্বংস, ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান কামারখাড়াকে মডেল ইউনিয়ন করতে চান চেয়ারম্যান প্রার্থী নজরুল মোল্লা ডিসিএ আইকনিক অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছেন রেনেসাঁ ডায়াগনস্টিক কেয়ারের স্বত্বাধিকারী ও নারী উদ্যোক্তা জেসমিন জুলিয়া এসএসসি-৯৬ ব্যাচের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে আগুন, ফায়ার সার্ভিসের তৎপরতায় রক্ষা বেতকায় চেয়ারম্যান প্রার্থী মহসিন খান বাবু নির্বাচনী প্রচারণা ব্যস্ত সময় পার করছেন 
নানান জাতের হাঁস বেচাকেনায় বাজার জমজমাট মুন্সীগঞ্জে

নানান জাতের হাঁস বেচাকেনায় বাজার জমজমাট মুন্সীগঞ্জে

ঋতুভেদে ভিন্ন ভিন্ন খাবারের প্রচলন বাঙালির খাদ্যসংস্কৃতির অংশ। কুয়াশাচ্ছন্ন শীত মৌসুমে সুস্বাদু মাংসের জন্য হাঁসের প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়ে
ঋতুভেদে ভিন্ন ভিন্ন খাবারের প্রচলন বাঙালির খাদ্যসংস্কৃতির অংশ। কুয়াশাচ্ছন্ন শীত মৌসুমে সুস্বাদু মাংসের জন্য হাঁসের প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়ে

ঋতুভেদে ভিন্ন ভিন্ন খাবারের প্রচলন বাঙালির খাদ্যসংস্কৃতির অংশ। কুয়াশাচ্ছন্ন শীত মৌসুমে সুস্বাদু মাংসের জন্য হাঁসের প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়ে। তারই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে মুন্সীগঞ্জের বিভিন্ন হাট-বাজারে। বিশেষ করে টঙ্গীবাড়ী উপজেলার হাটগুলোতে নানান জাতের হাঁসের বেচাকেনা জমে উঠেছে।

উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার ও সড়কের পাশে হাঁস ও হাঁসের ডিম বিক্রি বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। সাপ্তাহিক হাটের দিন হাঁসের প্যাঁক প্যাঁক শব্দে মুখর হয়ে ওঠে পুরো বাজার এলাকা। চাহিদা বাড়ায় হাঁসের দামও কিছুটা বেড়েছে।

শুক্রবার সকালে টঙ্গীবাড়ীর বালিগাঁও বাজারের পাশের সাপ্তাহিক হাট ঘুরে দেখা যায়, হাঁস কেনাবেচার জন্য নির্ধারিত স্থানে সকাল থেকে ভিড় জমেছে। উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে নারী-পুরুষ ও কিশোররা পরিবারের পালন করা হাঁস বিক্রি করতে হাটে নিয়ে আসেন। এসব হাঁসের মধ্যে রয়েছে দেশি পাতিহাঁস, চীনাহাঁস ও রাজহাঁস। দূর-দূরান্ত থেকে ক্রেতারাও এই হাটে আসছেন হাঁস কিনতে।

ক্রেতা আব্দুল দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘গরু, ছাগল ও মুরগির মাংস সারা বছরই খাওয়া হয়। কিন্তু শীত এলেই হাঁস খেতে ইচ্ছা করে। শীতে হাঁসের মাংস খেতে ভালো লাগে।’

আরেক ক্রেতা মো. ইউসুফ ঢালী বলেন, ‘শীতকালই হাঁসের মাংস খাওয়ার উপযুক্ত সময়। এই সময় হাঁসের স্বাদও বেশি থাকে। দাম একটু বেশি হলেও কিনতে হয়।’

হাঁস বিক্রেতা মো. ইয়াসিন মিয়া জানান, শীত শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হাঁসের চাহিদা বেড়েছে। বর্তমানে প্রতিটি হাঁস ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

অন্য বিক্রেতা মো. রাকিব হাসান বলেন, দেশি হাঁস ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা, চীনাহাঁস ৬০০ থেকে ১ হাজার টাকা এবং রাজহাঁস তুলনামূলক বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।

বালিগাঁও বাজার বণিক সমিতির এক কর্মকর্তা জানান, দীর্ঘদিন ধরে এই বাজারে হাঁস-মুরগির হাট বসছে। শীত মৌসুমে মানুষের আগ্রহ বাড়ায় বেচাকেনাও ভালো হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, চোখের ছানি ও স্বরভঙ্গ রোগে উপকারী। তবে হাঁসের মাংস দেরিতে হজম হয় এবং কফ বাড়াতে পারে। তাই হৃদরোগসহ কিছু রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে পরিমিত খাওয়াই ভালো।

Facebook Comments Box





  1. © স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ দৈনিক নাগরিক বাণী
error: Content is protected !!