মোল্লা মোহাম্মদ শাহীন, ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করে সবাইকে এ ব্যাপারে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
তিনি বলেন, ‘কদিন আগে আমরা দেখেছি সংস্কার ও নির্বাচনকে মুখোমুখি দাঁড় করানো হচ্ছে। ঠিক একইভাবে সেনাবাহিনীকে জনগণের মুখোমুখি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। আমি একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে বুঝি, এর পেছনে কোনও না কোনও ষড়যন্ত্র রয়েছে। দেশপ্রেমিক সব মানুষ যদি সচেতন ও সতর্ক থাকি, তাহলে অবশ্যই আমরা এই ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে সক্ষম হবো। আমাদের যেকোনও মূল্যে এই ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে হবে।’
সোমবার (২৪ মার্চ) সন্ধ্যায় রাজধানীর লেডিস ক্লাবে বিএনপির মিডিয়া সেল আয়োজিত দোয়া ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
জয়নুল আবেদীন বলেন, সংস্কার শেষ করে দ্রুত নির্বাচন দেন। বাংলাদেশ জিয়া পরিবারের জন্য অপেক্ষা করছে। কখন খালেদা জিয়া দেশে আসবেন, কখন তারেক রহমান বাংলাদেশ ফিরে আসবেন। তারেক রহমান এসে দেশের দায়িত্বভার বুঝে নেবেন।
অনুষ্ঠানের প্রধান আলোচকের বক্তৃতায় বিএনপির আইন সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, দেশের শাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে বিচার বিভাগ প্রধান ভূমিকা পালন করে থাকে। যে দেশের বিচার ব্যবস্থা যত শক্তিশালী, সেই দেশের গণতন্ত্র তত শক্তিশালী। ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে তারেক রহমানের মামলার বিচার মোমবাতি জ্বালিয়ে হয়েছে। বিচারের নামে প্রহসন হয়েছিল। আমরা দিনের বিচার রাতে দেখতে চাই না।
তিনি বলেন, বিচার বিভাগের মেরুদণ্ড শুধুমাত্র সোজায় নয়, শক্তিশালী হিসেবে দেখতে চাই। যখন বিচার বিভাগ নিরপেক্ষভাবে বিচার কাজ পরিচালনা করবে তখন ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে। আমরা স্বাধীন, সার্বভৌম ও নিরপেক্ষ বিচার বিভাগ দেখতে চাই।
অনুষ্ঠানে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. খোরশেদ মিয়া আলমের সভাপতিত্বে ঢাকার জেলা দায়রা জজ হেলাল উদ্দিন, ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নুরে আলম ভূইয়া, ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. ছানাউল্ল্যাহ, ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী প্রমুখ বক্তব্য দেন।
এছাড়া ঢাকা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সৈয়দ নজরুল ইসলামের সঞ্চালনায় বিভিন্ন আদালতের বিচারক, আইনজীবী নেতারা উপস্থিত ছিলেন।