
সারা দুনিয়াতে জেল খানাটা দি ফরমেট বা ডেভেলপমেন্ট কেন্দ্র বিন্দুতে পরিণত করা হয়েছে। বাস্তবটা এরকম আমাদের দেশে আমরা মনে করি লোকজন জেলখানায় পাঠাতে পারলেই বুঝি হয়ে গেলো। আসলে তা না। আমাদের দেশে এখনো পর্যন্ত আমরা তা করতে পারিনি।
সেই ধারাবাহিকতায় আমাদের একটা প্রচেষ্টা হাজতখানায় সে সমস্ত লোকজন আছে বিভিন্ন বয়সের তারা যেন এখানে সময়টা ভালো কাটে। তারা যেন খারাপ প্রকৃতির সাথে পরস্পর বিষিত না হয়।
মুন্সীগঞ্জ আদালতে আনিত আসামিদের জন্য কোর্ট হাজতখানা লাইব্রেরি উদ্বোধন কালে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট গাজী দেলোয়ার হোসেন এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, এখানে আদর্শিক ও ধর্মের বই আছে। মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে মানুষ গারদখানায় এসে যেন খারাপ দিকে না যায় এ জন্য আমাদের এই প্রচেষ্টা।
মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩ টার দিকে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের হাজতখানায় এ লাইব্রেরি উদ্বোধন করা হয়। এসময় অতিথি ছিলেন সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ কাজী আবদুল হান্নান।
অনুষ্ঠানে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট গাজী দেলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে ও সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইফতি হাসান ইমরানের সার্বিক সহযোগিতায় এসময় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন, জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট হালিম হোসেন, আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মুজিবুর রহমান, অ্যাডভোকেট মাহাবুব-উল-আলম স্বপন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো’তাছিম বিল্যাহ, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জুলফিকার হোসাইন রনি, মানিক দাস, মুহসিনা হোসেন তুষি, দুরদানা রহমান, শহিদুল ইসলাম, আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবুল হাসান মৃধা সহ অন্যান্য আইনজীবীগণ।#