
মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়নি। তাই জল্পনা-কল্পনার ঢালপালা আরও বেশি ছড়াচ্ছে। অনেকে ধারনা করছেন- তাহলে এই আসনে বিএনপির প্রার্থী মনোনয়ন দেয়ার ক্ষেত্রে কী চমক অপেক্ষা করছে।
স্থানীয় নেতাকর্মীরা বলছেন- ত্যাগী ও জনপ্রিয় নেতাকে যেন এই আসনে ধানের শীষের কান্ডারি করা হয়। মুন্সীগঞ্জ সদর ও গজারিয়া উপজেলা নিয়ে গঠিত মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় আছেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মহিউদ্দিন আহমেদ ও কেন্দ্রীয় কমিটির সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক কামরুজ্জামান রতন, সাবেক তথ্যমন্ত্রী এম শামসুল ইসলামের পুত্র ইঞ্জিনিয়ার সাইফুল ইসলাম, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মোশাররফ হোসেন পুস্তি ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আ.ক. ম মোজাম্মেল হকের নাম। সোমবার সন্ধ্যায় সদর আসন ছাড়াই প্রার্থী ঘোষণা পর সম্ভাব্য প্রার্থীদের সমর্থক ও নেতাকর্মীরাই আলোচনার সমালোচনা চলছে।
এ নিয়ে তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও নানা রকম মন্তব্য আসছে। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, জোটের সমীকরণ, জুলাই আন্দোলনে বিএনপির সাথে জোটবদ্ধ হয়ে কাজ করা, ইসলামিক দলগুলোকে ছাড় দেয়া, নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক দেখাতে স্বতন্ত্র প্রার্থীতা উন্মুক্ত করা এরকম নানা জটিল রাজনৈতিক সমীকরণের মধ্যে শেষ পর্যন্ত আটকে দেয়া হয়েছে মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের দলীয় মনোনয়ন।
সন্ধ্যায় প্রার্থী ঘোষণার আগে দুপুর সাড়ে ১২টায় জরুরি বৈঠকে বসেন বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটির সদস্যরা। প্রায় পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী চলা এই বৈঠকে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত এবং চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে করণীয় নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়। আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে ডিসেম্বরের শুরুর দিকে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে।