মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি
মেট্রোরেলের এমআরটি–২ প্রকল্পে ঢাকা থেকে নারায়ণগঞ্জ হয়ে মুন্সীগঞ্জের মুক্তারপুর যুক্ত করে পরিকল্পনা সংশোধন ও বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার সকালে মুন্সীগঞ্জ মেট্রোরেল বাস্তবায়ন পরিষদের উদ্যোগে মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত কর্মসূচিতে জেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক–সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, গণমাধ্যমকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
মুন্সীগঞ্জ মেট্রোরেল বাস্তবায়ন পরিষদের আহ্বায়ক এডভোকেট মঞ্জুর মোর্শেদের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সদস্যসচিব মো. সিরাজুল ইসলাম, সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এডভোকেট মুজিবুর রহমান, অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর এডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া, দৈনিক সভ্যতার আলো সম্পাদক মীর নাসির উদ্দিন উজ্জ্বল, নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)–এর সভাপতি আতিকুর রহমান টিপু, মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান পরিষদের সভাপতি মো. মাহবুবুর রহমান, সাংবাদিক তানভির হাসান, গুলজার হোসেন, কলেজ শিক্ষক রহমতউল্লাহ জুয়েল, সাইফুল্লাহ ভূঁইয়া, বিএসপি সভাপতি শাহ মো. আব্দুল বারি, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শাহিন মোহাম্মদ আমান উল্লাহ, সংস্কৃতিকর্মী অভিজিৎ দাস ববি, জাহাঙ্গীর আলম ঢালী, ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান, সাংবাদিক মাসুদ রানা, হুমায়ুন প্রমুখ।
এ ছাড়া মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ টেলিভিশন ও মাল্টিমিডিয়া জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোজাম্মেল হোসেন সজল, মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সুজন হায়দার জনি, দৈনিক মুন্সীগঞ্জের সময় সম্পাদক মঈনুদ্দিন আহমেদ সুমন, ব্যবসায়ী আনিসুর রহমান, জাকির হোসেন মৃধা প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, রাজধানী ঢাকার পার্শ্ববর্তী মাত্র ২২ কিলোমিটার দূরবর্তী জেলা মুন্সীগঞ্জ থেকে ঢাকায় যেতে দুর্বল যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে প্রতিদিন ৪–৫ ঘণ্টা সময় লাগে। মুন্সীগঞ্জ সদর, টঙ্গীবাড়ি, সিরাজদিখানের একটি অংশসহ মাদারীপুর ও শরীয়তপুরের লক্ষাধিক মানুষ নিয়মিত ঢাকায় যেতে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। মেট্রোরেল বাস্তবায়িত হলে স্বল্প সময়ে ঢাকায় যাতায়াত সম্ভব হবে এবং ঢাকায় বসবাসকারী মুন্সীগঞ্জের প্রায় দুই লক্ষাধিক মানুষ নিজ জেলায় ফিরে আসতে পারবেন। ফলে ঢাকার জনসংখ্যার চাপ কমবে; স্বাস্থ্য, অর্থনীতি ও সার্বিক উন্নয়ন কার্যক্রমে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। বক্তারা এ দাবির পক্ষে ভবিষ্যতে আরও ব্যাপক ও জোরালো কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেন।
উল্লেখ্য, একই দাবিতে একই সময়ে মুন্সীগঞ্জের মুক্তারপুর সেতু, জেলা প্রশাসক কার্যালয়সহ জেলা সদরের বিভিন্ন স্থানে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।