
ফেনীর পরশুরামে কলেজ ছাত্র এমরান হোসেন রাহীম হত্যা মামলার প্রধান আসামি রফিকুল ইসলাম রনি (১৯) কে ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পরশুরাম থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) সাখাওয়াত হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম রনিকে নিয়ে আসতে বুধবার সকালে কেরানীগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা দেন।
র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) ও পুলিশ যৌথ অভিযানের ভিত্তিতে মঙ্গলবার গভীর রাতে ঢাকার কেরানীগঞ্জের একটি আবাসিক হোটেল থেকে তাকে গ্রেফতার করেছে বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে।
রনি উপজেলার দক্ষিণ কেতরাঙ্গার হাবিব উল্যাহ ছেলে। ঘটনার পর থেকে রফিকুল ইসলাম রনি ও তার সহযোগীরা পালিয়ে যায়।
উল্লেখ্য,ফেনীর পরশুরামে গত ১৪ নভেম্বর দুপুরে বাড়ি থেকে ঢেকে নিয়ে ভারতীয় অবৈধ পন্য বিজিবিকে ধরিয়ে দেওয়ার সন্দেহে রনি ও তার সহযোগীরা রাহীমকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে।
এঘটনায় এমরান হোসেন রাহীমের বাবা ছয়জনের নাম উল্লেখ করে পরশুরাম থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে পুলিশ এ ঘটনায় পুলিশ ঘটনার দিন দুজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় ।
অবৈধ চোরাচালানের পণ্য ধরিয়ে দেওয়ার সন্দেহে রাহীমকে হত্যা করা হয় বলে তাঁর বাবা ইসমাইল হোসেন মামলার এজাহারে উল্লেখ করেছেন। তিনি ঘটনার দিন বৃহস্পতিবার রাতে রফিকুল ইসলাম রনিকে প্রধান আসামি করে পরশুরাম থানায় এই হত্যা মামলা করেন
নিহত রাহীম পরশুরাম সরকারি ডিগ্রি কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তাঁর বাড়ি উপজেলার বক্স মাহমুদ ইউনিয়নের দক্ষিণ কাতরাঙ্গা গ্রামে।
পরশুরাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নুরুল হাকিম বলেন কলেজ ছাত্র হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি রনিকে কেরানীগঞ্জের আবাসিক হোটেল থেকে গ্রেপ্তার করা হয় এর আগে ঘটনার দিন দুজনকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেলা যেতে প্রেরণ করা হয়েছে।