
মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ীতে ভাড়াটিয়া বাসায় আলু তোলার শ্রমিকের কাজ করতে আসা নারীকে ধর্ষনের ঘটনায় ধর্ষক বাবু মোল্লাকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। ধর্ষনের ঘটনায় মামলা হলে বাবু আত্নগোপনে চলে যায় ।
পরে তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে আসামী বাবু মোল্লাকে রবিবার রাতে ঢাকা হতে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করা হলে সোমবার (১৪ এপ্রিল) বিকাল সাড়ে ৪ টার দিকে মুন্সীগঞ্জ আমলী আদালত ৪ এর বিচারক নুসরাত শারমিন তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আমলি আদালত ৪ এর জিআরও এএসআই মোঃ ইব্রাহিম।
জানা গেছে ধর্ষিতা গৃহবধুর স্বামীর বাড়ি গাইবান্ধা জেলায়। আলুর মৌসুমে এই উপজেলায় শ্রমিকের কাজ করতে স্ত্রীকে সাথে নিয়ে এসেছিলেন ধর্ষকের স্বামী। ধর্ষকের স্বামী বলেন, আলু তোলতে এসে উপজেলার বালিগাও গ্রামের সুজন মোল্লার বাড়িতে তিনি ও তার স্ত্রী বসত ঘর ভাড়া নিয়ে বসবাস করছিলেন।
গত ২০ মার্চ বিকালে স্ত্রীকে ঘরে একা পেয়ে স্থানীয় বালিগাও গ্রামের সামসুল মোল্লার ছেলে মো. বাবু মোল্লা জোর পূর্বক ধর্ষণ করে। পরে ১০০ টাকা তার স্ত্রীকে দিয়ে বলছে যত টাকা লাগে আমি দিব। কাউকে কিছু বলবি না। উপজেলার বালিগাঁও গ্রামের প্রভাবশালী মোল্লা বাড়ির সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম সিরাজুল ইসলামের ভাতিজা ও মোঃ সামসুল মোল্লার ছেলে ধর্ষক বাবু মোল্লা ওই নারী শ্রমিকের ভাড়াটিয়া বাসায় ঢুকে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণের ঘটনা জানাজানি ও টঙ্গিবাড়ী থানায় মামলা হলে বাবু মোল্লা গাঁ ঢাকা দেয়। বাবু মোল্লার পিতা সামসুল মোল্লা ধর্ষণের স্বীকার নারীকে হুমকি-ধামকি দিয়ে এলাকা থেকে তাড়িয়ে দেয়। পরে দির্ঘদিন পলাতক থাকার পরে বাবু মোল্লাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ ।
এ ব্যাপারে টঙ্গীবাড়ী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিদুল ইসলাম বলেন, ঢাকা জেলা হতে আসামী গ্রেফতার করে মুন্সীগঞ্জ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।