
বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য, সাবেক মন্ত্রী, পাঁচবারের সাবেক সংসদ সদস্য ও মুন্সীগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাইয়ের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।
বুধবার দিবাগত রাত ১টার দিকে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দেওয়া এক শোকবার্তায় রুহুল কবির রিজভী বলেন, আব্দুল হাই ১৯৭৯ সাল থেকে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন। দেশপ্রেমিক রাজনীতিবিদ হিসেবে তাঁর ব্যাপক পরিচিতি ছিল। সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের নীতি ও আদর্শে আস্থাশীল এবং বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদী দর্শনে বিশ্বাসী আব্দুল হাই গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে আপসহীনভাবে কাজ করেছেন।
শোকবার্তায় রিজভী আরও বলেন, জনসেবার লক্ষ্য নিয়ে রাজনীতি করতেন আব্দুল হাই। সংসদ সদস্য ও সরকারের মন্ত্রী হিসেবে তিনি নিজ এলাকাসহ দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে অবদান রেখেছেন। তিনি ছিলেন প্রাজ্ঞ ও জনঘনিষ্ঠ রাজনীতিবিদ। সজ্জন ও বিনয়ী মানুষ হিসেবেও সর্বমহলে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা ছিল।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের চেতনাকে ধারণ করে মানুষের বাক্স্বাধীনতা, ব্যক্তি-স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকারের পক্ষে তাঁর ভূমিকা ছিল অবিস্মরণীয়। আদর্শনিষ্ঠ এই রাজনীতিবিদের মৃত্যুতে তিনি গভীরভাবে ব্যথিত হয়েছেন।
তিনি মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার, গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
এদিকে, আব্দুল হাইয়ের মৃত্যুতে পৃথক শোকবার্তা দিয়েছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও মুন্সীগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ এবং বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু।
শোকবার্তায় নেতৃদ্বয় মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকাহত পরিবার-পরিজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক মুহম্মদ মুনির হোসেন স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।